শাবি প্রতিনিধি

বরণ্য কূটনীতিবিদ, প্রয়াত স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত দেশপ্রেমিক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন কূটনীতিবিদ হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রচেষ্টার বিষয়টি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। মরহুমের একান্ত প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের অবদানের কথাসহ তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নিয়ে স্মতিচারণ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট কালরাত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর বঙ্গবন্ধুর কন্যাদ্বয়কে নিরাপত্তার চাদরে আগলে রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টার জন্য জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন উপাচার্য।

এককালে অত্যন্ত মেধাবী, প্রজ্ঞাবান, সফল কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবীদ ছিলেন। তার কর্মময় জীবন বর্তমান প্রজন্মের নিকট অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১৯২৮ সালের ১১ নভেম্বর সিলেট শহরের দরগা গেইটস্থ রশিদ মঞ্জিলে জন্ম নেওয়া হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্বাধীনতা পরবর্তীতে একাধারে রাষ্ট্রদূত, পররাষ্ট্রসচিব, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য এবং সবশেষে মহান জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।
তার পিতা আব্দুর রশিদ চৌধুরী ছিলেন অবিভক্ত ভারতের কেন্দ্রীয় বিধান সভার সদস্য এবং মাতা সিরাজুন নেছা চৌধুরী ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য। মৃত্যুর পর সিলেটের বরেণ্য রাজনীতিবিদ, কূটনীতিককে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়।