থার্ডআই ডেস্ক:
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইতে থাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্থানে ফসলের খেত ডুবে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
কুড়িগ্রামের সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃদ্ধি পেয়েছে তিস্তা, দুধকুমারসহ অন্যান্য নদীর পানিও। ফলে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
শুক্রবার কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, এসব এলাকার প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর রোপা আমনসহ বিভিন্ন সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে ৫হাজার ৯৬৭ হেক্টর রোপা আমন রয়েছে।
তিনি বলেন, নদীর তীরবর্তী নিচু ও চরাঞ্চলের নিচু এলাকায় বসবাসরত মানুষজন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এছাড়া গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে মানুষজন।
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর এলাকার সামছুল আলম জানান, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখনো ঘর-বাড়িতে পানি ওঠেনি। যদি এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তাহলে চরাঞ্চলের ঘর-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়বে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, উজানে ভারতের উত্তরবঙ্গ ও আসামসহ কয়েক রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
এ কারণে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে ধরলার পানি কমতে শুরু করবে। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




