থার্ডআই ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন তৈরির প্রযুক্তি দেবে। এমন একটি চুক্তির পর দেশ দুটি আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছে। এই চুক্তি চীনকে ঠেকিয়ে রাখার চুক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি চীনকে যুদ্ধে উস্কে দিতে পারে।
তবে চুক্তিতে ফ্রান্স ক্ষুব্ধ হয়েছে; তারা বলেছে, ‘চুক্তির মাধ্যমে তাদের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ’ অন্যদিকে চীনও চক্তিটিকে ‘শীতল যুদ্ধের মানসিকতা’ বলে অবিহিত করেছে।
অকুস নামে এই জোটটিকে বিতর্কিত দক্ষিণ চীন মহাসাগরীয় অঞ্চলে বেইজিংয়ের প্রভাব মোকাবিলার চেষ্টা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাইওয়ানে চীনের প্রভাব বিস্তার রোধেও এটি কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক তাইওয়ান নিজেকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দেখে। তবে, বেইজিং দ্বীপটির ওপর চাপ তৈরি করে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দেখছে।
তবে, যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সংসদকে বলেছে ‘চুক্তিটিকে চীনের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরে জনসনের কাছে তার পূর্বসূরি থেরেসা মে জানতে চেয়েছেন, ‘এই চুক্তি ব্রিটেনকে চীনের সঙ্গে যুদ্ধে টেনে আনতে পারে কিনা। জনসন জবাবে বলেন, ‘যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আমরা বিশ্বজুড়ে আমাদের বন্ধুদের যে বার্তা আমরা দিচ্ছি একই একই বার্তা বেইজিংকে দেবে। ’
এদিকে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লে ড্রায়ান এই ঘোষণাকে ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ হিসেবে অবিহিত করে বলেন, এটি নিষ্ঠুর, একতরফা এবং অবিবেচ্য সিদ্ধান্ত। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ফ্রান্স ওয়াশিংটনে, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে ‘সম্পর্ক উদযাপন’র একটি অনুষ্ঠান বাতিল করেছে।
তবে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ফ্রান্সকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ওয়াশিংটন বিশ্বাস করে প্যারিস এখনো আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। চুক্তিটির প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, বিদেশী শক্তিকে দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অনুমতি দেওয়া উচিত মনে করি না।




