থার্ডআই ডেস্ক:
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালিকে কোম্পানি আইন অনুযায়ী অবসায়নের মাধ্যমে দেনা পরিশোধের প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শনিবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি আয়োজিত ‘ই-কমার্স খাতের চ্যালেঞ্জ: সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট ও করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব করেন তারা।
ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম বলেন, আইনের অভাব নাই, নতুন আইনেরও দরকার নাই। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা যদি বাড়ানো যায় এবং সেই প্রতিষ্ঠানগুলো যদি সততার সাথে কাজ করে তাহলে এ ধরনের অনিয়ম ঠেকানো যাবে।
তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশন ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) যেসব আইন আছে, তা দিয়ে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
তিনি বলেন, কোন কোন অবস্থায় প্রতিযোগিতা কমিশন পদক্ষেপ নেবে সেগুলো প্রতিযোগিতা আইনে বলা আছে। কিন্তু আমরা বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই, প্রতিযোগিতা কমিশনের যখন যেখানে তৎপর হওয়ার দরকার ছিল, তখন ওনারা বসেছিলেন, পদক্ষেপ নেন নাই।
তিনি বলেন, সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইভ্যালির লেনদেন একমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল। কিন্তু এরপর ওই নিষেধাজ্ঞা আর বাড়ানো হয়নি অথবা নিষেধাজ্ঞা বলবৎও রাখা হয়নি। তখন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ মনে করল, যে বিএফআইইউ এ বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করেছে বা পরীক্ষা করে দেখেছে তাহলে সমস্যা নেই। তখন ইভ্যালি আরও শতগুণ মনোবল বাড়িয়ে আরও ব্যাপকভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করল। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, গত আট মাসে ই-কমার্সে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। সুতরাং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতার কারণেই জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।




