নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদুল আজহার আর মাত্র দুইদিন বাকি। শেষ মুহূর্তের বেচাকানায় সরগরম রাজধানীর পশুর হাটগুলো।
শুক্রবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অন্যতম অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট শনির আখড়া ঘুরে দেখা যায় বড় গরু থেকে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি।
হাট থেকে ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে লাল রঙের গরু কিনেছেন ব্যবসায়ী রাব্বি।

তিনি কিনতে শনির আখড়ার পশুর হাটে তার ৮ বছরের মেয়ে ফাতেমা ও স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিলেন। পছন্দের গরু কিনতে পেরে খুশি রাব্বি।
তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, এই হাটে প্রতি বছরই গরু কিনতে আসি। তবে এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি। কিন্তু সেটা অস্বাভাবিক নয়। দাম যাই হোক, পছন্দের গরু কিনেছি, এটাই বড় কথা।
শনির আখড়া হাটের মূল আকর্ষণ ছিল ২৭ মণের ‘যুবরাজ’। বৃহস্পতিবার যুবরাজকে চাঁদপুর থেকে রাজধানীর এই হাটে নিয়ে এসেছেন আবির ব্যাপারী। যুবরাজের মূল্য সম্পর্কে তিনি জানান, আমরা ক্রেতাদের কাছে ১০ লাখ টাকা দাম চাচ্ছি।

তবে এখনো সন্তোষ জনক দাম কেউ বলেনি।
হাসিল কাউন্টার, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার কিছুটা বাড়তি দামে গরু বিক্রি হচ্ছে। এর পেছনে তারা গবাদিপশুর খাদ্যের বেশি দামকে দায়ী করেছেন।
হাটের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের একাধিক ওয়াচ টাওয়ার বসেছে। রয়েছে জাল নোট শনাক্তকরণের একাধিক স্টল। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের একটি টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
৮টি বড় গরু নিয়ে হাটে শিবচর থেকে এসেছেন রমিজ ব্যাপারী। তবে ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও মাত্র ৩টি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন এই গরু ব্যাপারী। হাটে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে বড় গরু বিক্রি করতে।
হাট সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ কিছুটা বিক্রি বেড়েছে। সন্তোষ জনক পশু বিক্রি হচ্ছে। আশা করি আগামীকাল শেষ মুহূর্তে আরও জমে উঠবে শনির আখড়ার কোরবানির পশুর হাট।