নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার বিভিন্ন রুটের বাসে সরকার নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার পাশাপাশি বাস মালিকেরা জানিয়েছে, গাড়িতে এখন থেকে ‘ওয়ে বিল’ বন্ধ ও কোনো চেকার’ থাকবে না। এছাড়া, এক স্টপেজ থেকে আরেক স্টপেজ পর্যন্ত বাসের দরজা বন্ধ রাখা এবং রুট পারমিট অনুসারে স্টপেজ অনুযায়ী বাস থামবে বলেও জানান তারা। বুধবার ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে সমিতির কার্যায়লে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সমিতির দপ্তর সম্পাদক সামদানী খন্দকার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। এতে ঢাকার ১২০টি পরিবহন কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় বিআরটিএর চার্ট অনুযায়ী ভাড়া আদায় করা, চার্টের বাইরে ভাড়া আদায় না করা এবং প্রতিটি গাড়িতে ভাড়ার চার্ট টানিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক করতে সব বাস মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এসব বিষয়সহ অন্যান্য নিয়ম প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মালিক সমিতি পরিদর্শন চালাবে বাসগুলোতে। এজন্য নয়টি পরিদর্শন দল গঠন করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
এতে বলা হয়, এই টিম সড়কে যে কোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সহায়তা করবে। গত শুক্রবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। শনিবার রাতে বিআরটিএর সঙ্গে বৈঠক করে নতুন ভাড়ার হার ঠিক করে মালিক সমিতি।

সভায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রতি কিলোমিটারে ৩৫ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা। আগে ভাড়া ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। অপরদিকে দূর পাল্লায় আগের ভাড়া ১ টাকা ৮০ পয়সার জায়গায় ৪০ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ২০ পয়সা করা হয়।