নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের গ্রামাঞ্চলে ১১-১৭ বছর বয়সীদের প্রায় ৩৩ শতাংশ শিশু ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এসব শিশুদের ৩৫ শতাংশ উৎপীড়ন, উপহাস, গুজব কিংবা অপমান, ২৯ শতাংশ অসৎ উদ্দেশ্যে বেনামে যোগাযোগ, ১১ শতাংশ যৌন-নিপীড়নমূলক বার্তা কিংবা মন্তব্য এবং ১৭ শতাংশ শিশু যৌনতাপূর্ণ ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং নিজেদের অজান্তেই সাইবার অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ‘অনলাইনে শিশু নির্যাতন’ শীর্ষক এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। গ্রাম এলাকার ৪৬০ শিশুর ওপর করা এ গবেষণা উপস্থাপন করেন মুহাম্মদ ইব্রাহীম ইবনে তৌহিদ।

এ গবেষক বলেন, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সরকারের নীতির কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার অনেক বেড়েছে। ইন্টারনেট সম্পর্কে কম জ্ঞান এবং সঠিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারার কারণে অপরাধীরা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ইমো এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিশুদের নির্যাতন করতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে অনুষ্ঠানে

বিএসএমএমইউ উপাচায অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন দেওয়া ঠিক নয়। কারণ এ বয়সে শিশুরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে নিজের অজান্তেই অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। যেসব শিশু মোবাইলে আসক্ত তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। তারা এক সঙ্গে মোবাইল ফোন আসক্তি কমাতে পারবে না। এ জন্য তাদের দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা তবে একটানা আধাঘণ্টার বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করা বা দেখা যাবে না। এটি করতে পারলে তাদের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে পারি।