ক্রীড়া প্রতিবেদক
কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার লুসাইল স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় পা পড়তে যাচ্ছে লিওনেল মেসির। আর্জেন্টিনা হোক বা অন্য কোনো দেশ, মেসির মাঠে নামার অপেক্ষার প্রহর গুনছেন, এ কথা হয়তো বলা যায়!
মেসিকে আধুনিক ফুটবলের ‘ম্যাজিশিয়ান’ বলতে দ্বিধা থাকার কথা নয় কারও। মাঠের বাইরেও তার সরল হাসি, মুগ্ধকর ফুটবল বশ করে রাখে ফুটবল প্রেমীদের। আর্জেন্টিনা সমর্থক এখন যত না বেশি, মেসির সমর্থক তার কয়েক গুন। শুধুমাত্র আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলাররাই নন, অনেক কিংবদন্তিরই প্রত্যাশা, মেসির হাতেই এ বারের বিশ্বকাপ ট্রফি উঠুক।
বিশ্বকাপ অভিযানে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রতিপক্ষ সৌদি আরব। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৩৬ ম্যাচে অপরাজিত আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের মঞ্চে পরিসংখ্যান নয়, পারফরম্যান্সই পার্থক্য গড়ে দেবে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই চোট আঘাতের বেশ কয়েকটি ঘটনা রয়েছে নীল-সাদা শিবিরে। স্কোয়াড ঘোষণার আগেই ছিটকে যান লো সেলসো। স্কোয়াড ঘোষণার পরও জোড়া ধাক্কা খেয়েছে আর্জেন্টিনা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, মাঝে দু-দিন সতীর্থদের সঙ্গে থাকলেও একাকী অনুশীলন করছিলেন মেসি। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, খোদ অধিনায়কেরই চোট নেই তো!
ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে সেই শঙ্কা উড়িয়ে ভরসা দিয়েছেন মেসি। বলেছেন, ‘শারীরিকভাবে আমি একদম ঠিক রয়েছি। আমার ফিটনেস নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। আমার একাকী অনুশীলন নিয়ে অনেক কিছুই শুনেছি। আমার কাছে আলাদা অনুশীলন ব্যতিক্রম নয়। আগেও এমন করেছি।’
এরপরই স্বপ্নের কথা তুলে ধরলেন মেসি, ‘এটা জেনে আপ্লুত, অনেকেই আমার স্বপ্ন পূরণ হোক, এমনটাই চাইছেন। নিশ্চিতভাবেই এটা আমার শেষ বিশ্বকাপ। আমার দলের কাছে এটাই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণের শেষ সুযোগ। আমরা ধারাবাহিক ভাবে বেশ কিছু ম্যাচ জিতে এসেছি। তাই কারও চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরাও খেলাটাকে উপভোগ করব।’




