• থার্ডআই ডেস্ক:

    দেশের ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৬ সালের পাস করা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বাদ দেওয়া কেন অবৈধ হবে না- এ মর্মে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত।

    ওই সালে এসএসসি উত্তীর্ণ ১২ জন শিক্ষার্থীর পক্ষে করা একটি রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুলে জারি করে।

    শিক্ষা সচিবসহ ২৪ জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক ও সাইফুল ইসলাম সোহেল।

    রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। যে ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে সেগুলো হলো-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (দিনাজপুর), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (টাঙ্গাইল), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পটুয়াখালী), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াখালী), কুমিল্লা  বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (ত্রিশাল ময়মনসিংহ), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যশোর), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবনা), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোপালগঞ্জ), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল), রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাঙামাটি), রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় (সিরাজগঞ্জ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (গাজীপুর), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (নেত্রকোনা), বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জামালপুর)।

    অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সোহেল জানান, ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় চলতি বছর (২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ) গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার জন্য দুটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। গত ৩১ মার্চ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের এসএসসি/ সমমান  এবং ২০১৯২০২০ সালের এইচএসসি/ সমমান ডিপ্লোমা-ইন কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ভকেশনাল, এ লেভেল এবং অন্যান্য  সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে। পরে গত ৩১ মার্চ পৃথক একটি বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৬ সাল বাদ দিয়ে ২০১৭ সাল ও ২০১৮ সাল উল্লেখ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এ রিট আবেদনটি করা হয়।