থার্ডআই ডেস্ক:

অনাবৃষ্টি আর অতিবৃষ্টিতে পাটের ভালো ফলন না হওয়ায় বাজারে ভালো দাম থাকলেও হাসি নেই মাদারীপুরের কৃষকদের মুখে। সেচ দিয়ে যারা পাট বীজ বপন করেছেন তারাও কাঙ্ক্ষিত ফলন না পাওয়ায় লাভের মুখ দেখছেন না বলে জানিয়েছেন।
খরচ উঠিয়ে সামান্য লাভ থাকতে পারে সেচ দিয়ে পাট বপনকারী কৃষকদের। ক্ষতিগ্রস্ত পাট চাষিরা সরকারি সাহায্য পাওয়ার দাবি করেছেন সরকারের কাছে।

তবে জেলায় পাঁচ শত কোটি টাকার পাট উৎপাদন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এই শীর্ষ এই কর্মকর্তা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সরেজমিনে জানা যায়, গত বছর বিঘায় যে জমিতে ২০ থেকে ২৫মন পাটের ফলন পেয়েছিল কৃষক।

আর এ বছর অনাবৃষ্টির কারণে একই জমিতে ৩বার পাটের বীজ বপন করে যখন পাটের উঠতি সময় সেই সময় শুরু হয় অতিবর্ষণ। এতে জমিতে ৪/৫ মন পাট পেতে পারেন। অতিবর্ষণে জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় অনেক জমির পাট তলিয়ে গেছে। অনেক জমির তলিয়ে যাওয়া বা মরে যাওয়া পাট কাটতে সমস্যা হয়েছে কৃষকদের।

অন্যান্য বছর বিঘায় যেখানে ২০ থেকে ২৫মন পাটের ফলন পেতেন, সেই জমিতে এ বছর ৩ বার সেচ দিয়েও সেই ফলন পাচ্ছেন না কৃষকরা। যাদের জমিতে এ বছর কিছুটা ভালো পাট উৎপাদন হয়েছে তারাও ১২ থেকে ১৫ মনের বেশি ফলন পাচ্ছে না বিঘায়। আর যারা সেচ ছাড়া পাট বপন করেছেন প্রচণ্ড খরায় তাদের জমিতে তিনবার পাটের বীজ বপন করেও বিঘায় ৪ থেকে ৫ মনের বেশি পাট পাচ্ছে না।