থার্ডআই ডেস্ক:
গুঞ্জন চলছিল বিগত কয়েক মাস ধরেই। অবশেষে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নীতিনির্ধারণী সংস্থা স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের (এসএসি) সদস্যপদ দেওয়া হল সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উনের ছোট বোন কিম ইয়ো জংকে। এদিকে তাঁর এই বিরাট পদন্নোতি নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বজুড়েই। এর আগে একাধিকবার আমেরিকাকে হুমকি দিয়ে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকার প্রভাব নিয়েও একাধিকবার সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে কিম ইয়ো জংকে। কয়েকদিন আগেই তিনি বলেন, তাদের দেশের প্রতি আমেরিকার নেতিবাচক মনোভাব বরাবরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করে থাকে। এই কাজ বেশিদিন চলতে পারে না।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলতে দেখা যায় তাঁকে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে যখন দুই দেশের মধ্যে পারস্পারিক সম্মান অটুট থাকবে তখন উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বোঝাপড়ার পথ মসৃণ হতে পারে’।
আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়া ইস্যুতে তার মন্তব্য নিয়ে জোর আলোচনার মধ্যেই অনেকে বলতে থাকেন শীঘ্রই হয়তো উত্তর কোরিয়ার কোনও বড় প্রশাসনিক পদে দেখা যাবে কিম ইয়ো জংকে। আর বাস্তাবে তাই সত্যি হল। কিম ইয়ো জং এখন থেকে তাঁর ভাইয়ের নেতৃত্বাধীন এসএসির সদস্য।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইয়ো জং অবশ্য আগে থেকেই উত্তর কোরিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা রাষ্ট্রপ্রধানের প্রধান উপদেষ্টার কাজ সামলাচ্ছিলেন।
এবার এসএসির সদস্য হওয়ার মাধ্যমে তিনি সর্বোচ্চ সরকারি পদ পেলেন। আমেরিকা প্রসঙ্গে মতামত রাখতে গিয়ে বাইডেনকে প্রচ্ছন্ন হুমকিও দিতে দেখা যায় কিমের বোনকে। নাম না করে জো বাইডেনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইয়োকে বলতে শোনা যায়, ‘আগামী চার বছর যদি নিশ্চিন্তে ঘুমোতে চান, তা হলে আমাদের দিকে নজর দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। যদি সেই প্রচেষ্টা হয়, তা হলে ঘুম উড়িয়ে দেব’।




