নিজস্ব প্রতিবেদক

ওমিক্রন কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে? এবং এটি আমাদেরকে কতটা অসুস্থ করে তুলতে সাক্ষম?
বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এখন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন এবং আমাদেরকে কিছু কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওমিক্রন ঘড়ির কাঁটা ফের মহামারী শুরুর দিকে ঘুরিয়ে দেয়নি। তবে অনিশ্চয়তা সবকিছুকে ধোঁয়াশা করে রাখছে। নিশ্চিত উত্তর পেতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে।

ওমিক্রন কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে?
উত্তরটি ‘অনেক দ্রুত’ বলেই মনে হচ্ছে। এমনকি যেখানে অতীতে কোভিডের বড় তরঙ্গ আঘাত হেনেছিল এবং জনগণ ব্যাপকহারে টিকা নিয়েছে এমন জায়গাতেও ওমিক্রন ছড়াচ্ছে।
বুধবার জাপানের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আগের ডেল্টা ধরনের চেয়ে ৪.২ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে ছড়ায়।

দক্ষিণ আফ্রিকা করোনার ডেল্টা ধরনের তরঙ্গের শেষদিকে ছিল এবং এক মাস আগে গড়ে প্রতিদিন মাত্র ৩০০ জনেরও কম রোগী ধরা পড়ছিল। আর এখন সেখানে প্রতিদিন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন। ওমিক্রন এখন তাদের কোভিড-১৯ মহামারীর চতুর্থ তরঙ্গের নেপথ্যের কারণ হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাজ্যেও ওমিক্রনকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। নভেম্বরের শেষের দিকে শুধুমাত্র ০.১% পরীক্ষার ফলাফলে ওমিক্রন ধরা পড়েছিল।