থার্ডআই ডেস্ক
লক্ষ্যটা ছিল একদম নাগালের মধ্যে। রিকুয়ার্ড রান রেট ছিল ৬ রানেরও নিচে। তাই ইংলিশদের দাপুটে এক জয়ের অপেক্ষাই ছিল প্রত্যাশিত। কিন্তু সেই সহজ ম্যাচটাও কঠিন করে জিতলেন মঈন আলীরা।
আফগান স্পিনারদের ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে যান ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। তবে শেষ পর্যন্ত ১১ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ইংলিশরা।
ইংল্যান্ডের বোলারদের তোপে মেরুদন্ড সোজা করেই দাঁড়াতে পারেনি আফগানিস্তান। পরে স্যাম কারানের পেস তাতে ধ্বস নামিয়ে দেয়। তাতে ১১২ রানেই গুটিয়ে যান আফগানরা। সেই লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতে আগ্রাসী ব্যাটেই দেখা যায় ইংল্যান্ডকে। ৫ ওভারে ৩৫ রান তুলে নেয়। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে হারাতে হয়েছে জস বাটলারের উইকেটও। ফেরার আগে ১৮ বলে তিন চারে সাজান ১৮ রানের ইনিংস।
পাওয়ার প্লেতে ৪০ রান আসলেও তারপর থেকেই যেন স্রোত হারিয়ে ফেলেন ইংলিশ ব্যাটাররা। লক্ষ্যটা ছোট বলে অ্যালেক্স হেলস ও ডেভিড মালনরা রান নিতে থাকেন মন্থর গতিতে। তবে শেষ দিকে এসে দ্রুত একাধিক উইকেট হারিয়ে ফেলেন তারা। রশিদ খান ও মুজিব-উর রহমানের স্পিন ঘূর্ণি যেন রান নিতেই দিচ্ছিল না।
যেই না এই দু বোলারের ওভারের কোটা ফুরালো, ইংলিশও যেন হাফ ছেড়ে বাঁচল। তবে দু হাত খুলে শট খেলতে দেখা যায়নি। মঈন আলীরা রয়ে-সয়ে একটি-দুটি রান নিয়েই জয়ী হয়েছেন। ১১ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন।
এর আগে, স্যাম কারানের পেস আফগানিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসে ধ্বস নামিয়ে দেয়। তার বিধ্বংসী পেস তোপে টিকতে পারেননি ব্যাটাররা। মাত্র ১১২ রানেই গুটিয়ে যায় মোহাম্মদ নবির দল। দুই বল আগেই আফগানিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়ার পথে ৫ উইকেট শিকার করেছেন কারান। মাত্র ১০ রান খরচায় পাঁচ আফগানকে ফেরান তিনি। এছাড়া মার্ক উড ও বেন স্টোকস দুটি এবং ক্রিস ওকস একটি উইকেট শিকার করেন।




