থার্ড আই ডেস্ক::

নাগারনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে ৬ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ১০ নভেম্বর জয়ী হয়েছে আজারবাইজান। তাই প্রতি বছর ১০ নভেম্বরকে বিজয় দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশটি।

তবে ওই দিনটি আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের মৃত্যু দিবস হওয়ায় তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দু’দিন পিছিয়ে আজারবাইজান ৮ নভেম্বরকে বিজয় দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেছে।

এদিকে নাগারনো-কারাবাখ পুনর্গঠনের কাজও শুরু করেছে দেশটি। এখন থেকে প্রতি বছর ৮ নভেম্বর দেশটির বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হবে বলে আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ঘোষণা দেন।

আজারবাইজানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হায়দার আলিয়েভ বলেছিলেন, ‘কামাল আতাতুর্ক যেমন তুরস্কের মানুষের কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয় ব্যক্তি, ঠিক আমাদের আজারবাইজানিদের কাছেও তিনি শ্রদ্ধাভাজন প্রিয়’।

আর আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক বলেছিলেন, ‘আজারবাইজানের আনন্দই আমাদের আনন্দ। তাদের দুঃখই আমাদের দুঃখ।

উল্লেখ্য, নাগোরনো -কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছিলো।গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ৯০ এর দশকে সাবেক দুই সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে ১০ নভেম্বর আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি হয়। চুক্তির অনুযায়ী নাগোরনো-কারাবাখ ও আর্মেনিয়া-আজারবাইজান করিডোরে দায়িত্ব পালন করবে রাশিয়ান শান্তিরক্ষীরা।

এমএ