থার্ডআই ডেস্ক:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) মো. জাহিদুল ইসলাম তার দুই শিশুপুত্রকে আগ্নেয়াস্ত্র চালনা শেখানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
সোমবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত জাহিদুল ইসলাম ভিডিওটির সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, ‘২০১৫– বা ২০১৬ সালের দিকে আমি যখন খুলনার সুন্দরবন কয়রা এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলাম, তখন শখের বশবর্তী হয়ে বাচ্চাদের গুলি ছোড়ার কৌশল দেখানো হয়েছিল। সুন্দরবন বেড়াতে গিয়ে এটি করা হয়।
মূলত শখ করেই এমনটা করা হয়েছিল। খারাপ কোন উদ্দেশ্য ছিল না। সুন্দরবনের গাছকে এইম (লক্ষ্য) করে গুলি করা হয়েছিল। পরে (এ সময়) ভিডিওটি আমার ফেইসবুকে আপলোড করা হয়’।
এ ব্যাপারে আইনগত কোনো বিধিনিষেধ ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তখন আইনে কোনো বিধিনিষেধ ছিল না। তবে পরে গুলি ছোড়ার ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়’।
শিশুদের আগ্নেয়াস্ত্র চালনা শেখানো কতটুকু যুক্তিযুক্ত, ‘এমন প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সহকারী জজ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিছকই বাচ্চারা শখ করে করেছে। তবে এটা করা ঠিক হয়নি। সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি’।
তিনি বলেন, ‘৫/৬ বছর পর ভিডিওটি অসৎ উদ্দেশ্যে ভাইরাল করা হচ্ছে। আমাদের এলাকার আমেরিকা প্রবাসী নিয়াজ মাহমুদ আমার বোনকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান হলে তিনি পুরোনো ভিডিও নিয়ে ভাইরাল করছেন অপপ্রচার করছেন’।
তিনি বলেন, ‘নিয়াজ মাহমুদ বিভিন্ন নারীর নামে ভুয়া আইডি খুলেও আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্র ও দেশের বিরুদ্ধেও কথা লিখে’।




